চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পরিচিত নাম আজিজ মোহাম্মদ ভাই। বিতর্ক, রহস্য ও ক্ষমতার জালে ঘেরা এই ব্যবসায়ী-প্রযোজকের নাম আবারও আলোচনায় এসেছে সালমান শাহ হত্যা মামলা নতুন করে তদন্তে যাওয়ার পর।
সালমান
শাহর
মৃত্যুর প্রায়
২৯
বছর
পর
মামলাটি আত্মহত্যা নয়,
বরং
হত্যা মামলা হিসেবে
রূপ
নেয়।
এতে
প্রধান
আসামি
করা
হয়েছে
সালমানের সাবেক
স্ত্রী
সামিরা
হককে।
অন্য
১০
আসামির
তালিকায় আছেন
প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও
প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই।
আজিজ
মোহাম্মদ ভাইয়ের
নাম
ঘিরে
বরাবরই
বিতর্ক
লেগেই
আছে।
নব্বই
দশকের
ঢাকাই
চলচ্চিত্র অঙ্গনে
তিনি
ছিলেন
ভয়
এবং
প্রভাবের প্রতীক। একদিকে
ছিলেন
‘অলিম্পিক’ গ্রুপের মালিক,
অন্যদিকে ছিলেন
চলচ্চিত্র প্রযোজক—যিনি
এমবি
ফিল্মসের ব্যানারে প্রায়
৫০টিরও বেশি সিনেমা প্রযোজনা করেছেন।
তবে
তার
সাফল্যের আড়ালেই
ছিল
অন্ধকার অধ্যায়—নায়িকা, মাদক ও
হত্যাকাণ্ড নিয়ে
নানা
অভিযোগ। ১৯৯৭
সালে
সালমান
শাহর
মৃত্যুর পর
থেকেই
তার
নাম
ঘুরে
ফিরে
এসেছে
নানা
গুঞ্জনে। এমনকি
চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় তার
যাবজ্জীবন সাজাও
হয়েছে।
আজিজ
মোহাম্মদ ভাইয়ের
পারিবারিক শেকড়
ভারতের
গুজরাটে। ১৯৪৭
সালে
দেশভাগের পর
তাদের
পরিবার
বাংলাদেশে আসে।
তাদের
পদবি
‘ভাই’
মূলত
পারস্য
বংশোদ্ভূত ‘বাহাইয়ান’ সম্প্রদায়ের নামের
বিকৃত
রূপ।
অলিম্পিক ব্যাটারি, বলপেন,
ব্রেড
ও
ফার্মাসিউটিক্যালসহ অসংখ্য
ব্যবসা
প্রতিষ্ঠানের মালিক
এই
বিতর্কিত প্রযোজক বর্তমানে থাইল্যান্ডে সপরিবারে বসবাস করছেন। সেখান থেকেই
ব্যবসা
পরিচালনা করেন
তিনি,
আর
তার
স্ত্রী
নওরিন
মোহাম্মদ ভাই
বাংলাদেশে এসে
দেখভাল
করেন
পারিবারিক ব্যবসা।
চলচ্চিত্রপ্রেমী নাকি
ক্ষমতালোভী, শিল্প-অনুরাগী নাকি অপরাধী—আজিজ
মোহাম্মদ ভাইকে
ঘিরে
এই
প্রশ্ন
আজও
রয়ে
গেছে।
সালমান শাহ হত্যা মামলার পুনরুজ্জীবনে তার
নাম
ফের
আলোচনায়, আর
অপেক্ষা কেবল
আইনের
চূড়ান্ত রায়ের।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন