গত মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম সরকারের কাছে অনুরোধ করেন, গত ১৬ বছরে গুম হওয়া ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা যেন ফিরিয়ে আনা হয় এবং তাদের সঙ্গে জড়িতদের বিচার করা হয়।
সাদিক
কায়েম
বলেন,
“২০০৬
সালের
২৮
অক্টোবর যে
হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল
তা
ছিল
ফ্যাসিবাদের বীজ
বপনের
অংশ।
লগি
বৈঠা
নিয়ে
মানুষ
হত্যা
করে
নৃত্য
— এ
ধরনের
নৃশংসতা ও
কালচারাল ফ্যাসিবাদ দেশকে
ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।”
তিনি
অভিযোগ
করেন,
ওই
সময়
থেকে
দেশে
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও
মানবাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
এবং
দেশের
বিভিন্ন স্থানে
“হাজারো”
নেতাকে
হত্যা,
নির্যাতন ও
গুম
করা
হয়েছে।
ডাকসু
ভিপি
আরও
বলেন,
গুম
কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী গত
১৬
বছরে
ছাত্র শিবিরই সবচেয়ে বেশি গুমের শিকার হয়েছে।
তিনি
বলেন,
“অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে
অনুরোধ
— গুম
হওয়া
নেতাকর্মীদের ফিরিয়ে
দিন;
যাদের
বিরুদ্ধে অভিযোগ
আছে
তাদের
বিচার
করা
হোক।”
সাদিক
কায়েম
উল্লেখ
করেন,
দেলোয়ার হোসেন
সাঈদীর
রায়
পরবর্তী হত্যাকাণ্ড এবং
শাপলা
(ঘটনা)
সংক্রান্ত বিচার
এখনও
সম্পন্ন হয়নি।
তিনি
জোর
দিয়ে
বলেন,
এসব
গুম-খুনের সঙ্গে যারা
জড়িত
তাদের
বিরুদ্ধে দ্রুত
তদন্ত
ও
আইনি
ব্যবস্থা নিতে
হবে।
প্রসঙ্গত, অনুষ্ঠানকালে সাদিক
কায়েম
অভিযোগ
করে
বলেন,
বর্তমান সরকারের শাসকদল
ও
তার
সহযোগীদের এ
দেশে
রাজনীতি করার
কোনো
অধিকার
নেই
— একে
তিনি
“সন্ত্রাসী সংগঠন”
হিসেবে
আখ্যা
দেন
এবং
দাবি
করেন,
তাদের
বিচার
করে
জনগণের
সামনে
দাঁড়
করাতে
হবে।
এই
মন্তব্যের প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক ও
মানবাধিকার মহল
বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া প্রদান
করেছেন;
অনেকেই
দ্রুত
ও
নিরপেক্ষ তদন্তের ওপর
গুরুত্ব আরোপ
করেছেন
যাতে
নিরপরাধ ব্যক্তিরা ক্ষতিগ্রস্ত না
হন
এবং
বিচারপ্রক্রিয়া সম্মানজনকভাবে সম্পন্ন হয়।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন