প্রায় তিন বছরের সংসার আর এক বছরের সন্তানের পিতা হয়েও স্ত্রী ও সন্তানকে অস্বীকার করছেন ইমরোজ আহমেদ সারুফ নামে এক ভুয়া ডাক্তার। উল্টো তিনি তার স্ত্রী ও শ্বশুরের নামে দুটি মামলা দায়ের করেছেন।
সবশেষ,
মামলার
বাদী
সারাবান তোহরার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, সন্তানের পিতৃত্ব নির্ধারণে আদালত
ইমরোজ আহমেদ সারুফ ও শিশুটির ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার (২৭ আগস্ট) চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিনিয়র
জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল ইসলাম এ
আদেশ
দেন।
ডিএনএ টেস্টের আদেশ ও প্রক্রিয়া
আদালত
নির্দেশ দিয়েছেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান পরীক্ষক ডিএনএ
টেস্ট
পরিচালনা করবেন।
একজন
উপ-পরিদর্শক (এসআই) নেতৃত্বে পুলিশ
দলের
তত্ত্বাবধানে মা
ও
শিশুকে
ঢাকায়
পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া
হয়েছে।
পরীক্ষার ফলাফল
সরাসরি
আদালতে
জমা
দিতে
হবে
বলেও
আদেশে
উল্লেখ
করা
হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী সাহিন কাদির জানান,
“ইমরোজ জামিন
নিয়ে
সমাধানের আশ্বাস
দিয়েছিলেন, কিন্তু
পরে
উল্টো
দুটি
মিথ্যা
মামলা
করেন।
আদালত
বিষয়টি
বিবেচনা করে
এখন
ডিএনএ
পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন।”
স্ত্রীর অভিযোগ ও পরিবারের বক্তব্য
ভুক্তভোগী সারাবান তোহরা বলেন,
“সাবেক এমপি
আব্দুল
ওদুদের
ঘনিষ্ঠ
হওয়ায়
প্রভাব
খাটিয়ে
নিজেকে
ডাক্তার পরিচয়ে
তিনটি
বিয়ে
করেছেন
ইমরোজ
আহমেদ
সারুফ।
সন্তান
জন্মের
পর
থেকেই
তিনি
অস্বীকার করতে
শুরু
করেন।
এখন
ন্যায্য অধিকার
ফিরে
পেতে
আমি
আইনের
আশ্রয়
নিয়েছি।”
তোহরার
বাবা
আবু বাক্কার অভিযোগ
করেন,
“বিয়ের পর
থেকেই
নানা
কৌশলে
প্রতারণা করেছে
ইমরোজ।
এমনকি
হত্যার
হুমকিও
দিয়েছে।”
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর
মডেল
থানার
ওসি
মতিউর রহমান বলেন,
“আদালতের নির্দেশে ডিএনএ
পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পন্নে পুলিশ
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”
প্রসঙ্গত:
সারাবান তোহরার
১৪ মাসের শিশুর জন্ম নিবন্ধন ও টিকা কার্ডে পিতার
নাম
হিসেবে
স্পষ্টভাবে উল্লেখ
আছে
ইমরোজ আহমেদ সারুফ।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন