সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর আসতে পারে নতুন পে-স্কেলে। বাংলাদেশ ফরেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) প্রস্তাব দিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামোতে ঈদ বোনাস দ্বিগুণ করা হোক। পাশাপাশি বাড়ি ভাড়া, শিক্ষা ভাতা, চিকিৎসা ও টিফিন ভাতা বৃদ্ধির দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার
(২৯
অক্টোবর) পে
কমিশনের সঙ্গে
মতবিনিময় সভায়
বিএফএ
জানায়,
সর্বনিম্ন বেতন
৩৫
হাজার
এবং
সর্বোচ্চ বেতন
এক
লাখ
৪০
হাজার
টাকা
করা
উচিত।
তারা
প্রস্তাব দিয়েছে, সকল
সরকারি
কর্মচারীর বাড়ি
ভাড়া
মূল
বেতনের
৬০
শতাংশ
নির্ধারণ করা
হোক।
লিখিত
প্রস্তাবে ফরেস্টারদের বেতন
ও
পদমর্যাদা দ্রুত
বাস্তবায়নের দাবি
জানানো
হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের
১০ম
গ্রেডে
ও
দ্বিতীয় শ্রেণির মর্যাদায় অন্তর্ভুক্ত করার
কথা
বলা
হয়েছে।
বিএফএর
প্রস্তাবে আরও
বলা
হয়েছে—
- শিক্ষা
ভাতা: একজন সন্তানের
জন্য ২
হাজার, দুইজনের জন্য ৪
হাজার টাকা
- চিকিৎসা
ভাতা: প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা
- টিফিন
ভাতা: ৩ হাজার টাকা
- ঈদ
বোনাস: দ্বিগুণ
- বৈশাখী
ভাতা: মূল বেতনের সমান
- বার্ষিক
ইনক্রিমেন্ট: ১০%
- পেনশন: ১০০%
এছাড়া,
মাঠ
পর্যায়ের বনকর্মীদের ঝুঁকি
ভাতা
মূল
বেতনের
৫০
শতাংশ
করার
দাবি
জানানো
হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে আহত
বা
নিহত
হলে
তাৎক্ষণিক চিকিৎসা ও
ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থার আহ্বান
জানায়
সংগঠনটি।
বিএফএ
আরও
প্রস্তাব করে,
প্রতি
পাঁচ
বছর
অন্তর
পে
কমিশন
গঠন
করে
মূল্যস্ফীতির সঙ্গে
সামঞ্জস্য রেখে
বেতন-ভাতা সমন্বয় করা
হোক।
গত
জুলাইয়ে গঠিত
জাতীয়
বেতন
কমিশন
আগামী
ডিসেম্বরের মধ্যে
প্রতিবেদন জমা
দিতে
চায়।
সূত্র
মতে,
নতুন
পে-স্কেল আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগেই কার্যকর হতে
পারে,
ফলে
২০২৬
সালের
জানুয়ারি থেকেই
সরকারি
চাকরিজীবীরা নতুন
বেতন
কাঠামোর সুবিধা
পেতে
পারেন।
অর্থ
উপদেষ্টা ড.
সালেহউদ্দিন আহমেদ
জানান,
“পে
কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ
সংশোধিত বাজেটে
রাখা
হবে।
ডিসেম্বর থেকেই
কাজ
শুরু
হবে।”
সবশেষে,
সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই
এখন
তাকিয়ে আছেন
প্রায়
২২
লাখ
সরকারি
কর্মচারী—তাদের
প্রত্যাশা, এবারের
বাজেটেই মিলবে
আর্থিক
স্বস্তির বার্তা।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন